শুরু থেকে আজ পর্যন্ত zero7-এর একটাই লক্ষ্য — বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কাছে নিরাপদ, মজাদার ও ন্যায্য গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া।
২০২০ সালে যখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং মাত্র জনপ্রিয় হতে শুরু করেছিল, তখন একটা বড় সমস্যা ছিল — বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়নি। ইংরেজি ইন্টারফেস, বিদেশি পেমেন্ট পদ্ধতি, এবং দুর্বল মোবাইল পারফরম্যান্স — এই তিনটা সমস্যা নিয়ে বাংলাদেশি গেমাররা প্রতিদিন লড়ছিলেন।
Zero7-এর প্রতিষ্ঠাতারা এই সমস্যাটা নিজেরাও অনুভব করেছিলেন। তারা সিদ্ধান্ত নিলেন — একটা প্ল্যাটফর্ম বানাতে হবে যেটা শুরু থেকেই বাংলাদেশের জন্য ডিজাইন করা। বাংলা ভাষা, bKash/Nagad পেমেন্ট, কম ডেটায় চলার উপযোগী — এই তিনটা বিষয় মাথায় রেখেই zero7-এর জন্ম।
প্রথম বছরে zero7-এ মাত্র ৫০টি গেম ছিল। কিন্তু বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের প্রতিক্রিয়া ছিল অসাধারণ। মানুষ বুঝতে পারছিলেন যে এটা তাদেরই জন্য। ধীরে ধীরে সদস্য সংখ্যা বাড়তে থাকে, গেম লাইব্রেরি সমৃদ্ধ হতে থাকে, এবং zero7 আজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।
চার বছরের পথচলায় zero7 কীভাবে বাংলাদেশের গেমিং দুনিয়াকে বদলে দিয়েছে।
৫০টি গেম ও ৫,০০০ প্রাথমিক সদস্য নিয়ে zero7-এর যাত্রা শুরু। বাংলা ইন্টারফেস ও bKash পেমেন্ট চালু হয় প্রথম দিন থেকেই।
লাইভ ডিলার বিভাগ ও ক্র্যাশ গেম যোগ হওয়ার পর সদস্য সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে যায়। Nagad পেমেন্টও চালু হয়।
Android অ্যাপ লঞ্চের পরে zero7 সত্যিকারের মোবাইল-ফার্স্ট প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়। গেম লাইব্রেরি ২০০+ ছাড়িয়ে যায়।
VIP পয়েন্ট সিস্টেম ও লটারি বিভাগ যোগ হওয়ার পর মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী ২ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।
৫০০+ গেম, ১০ লক্ষ+ সদস্য ও বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় সক্রিয় উপস্থিতি নিয়ে zero7 আজ দেশের শীর্ষস্থানীয় গেমিং প্ল্যাটফর্ম।
শুধু গেম নয় — zero7 একটি সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা যেটা বাংলাদেশের প্রতিটি খেলোয়াড়ের জন্য তৈরি।
মেনু থেকে শুরু করে বিজয়বার্তা, নোটিফিকেশন থেকে কাস্টমার সাপোর্ট — zero7-এর সব কিছু বাংলায়। ঢাকা হোক বা রাঙামাটি, ভাষার বাধা নেই।
বাংলাদেশের ৯০% ব্যবহারকারী মোবাইলে গেম খেলেন। তাই zero7-এর প্রতিটি গেম ও ইন্টারফেস প্রথমে মোবাইলের জন্য তৈরি, পরে ডেস্কটপের জন্য।
বিদেশি কার্ড বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লাগবে না। bKash, Nagad ও রকেটে মিনিটের মধ্যে ডিপোজিট ও উইথড্র করুন।
SSL এনক্রিপশন, দুই-স্তরের যাচাইকরণ ও আন্তর্জাতিক RNG সার্টিফিকেশন — zero7-এ আপনার অ্যাকাউন্ট ও অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।
রাত ৩টায়ও সমস্যা হলে বাংলায় কথা বলতে পারবেন। লাইভ চ্যাট, ফোন ও ইমেইলে সারাক্ষণ আমাদের দল আপনার পাশে আছে।
নতুন সদস্যদের স্বাগত বোনাস থেকে শুরু করে নিয়মিত খেলোয়াড়দের রিলোড বোনাস — zero7-এ প্রতি সপ্তাহে নতুন অফার থাকে।
Zero7-এর মিশন একটাই — বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে নিরাপদ, ন্যায্য ও আনন্দদায়ক গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। আমরা বিশ্বাস করি গেমিং শুধু জেতার জায়গা নয় — এটা বিনোদনের একটি রূপ।
আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকে খেলোয়াড়ের স্বার্থ। কোনো গেম লঞ্চ করার আগে আমরা নিশ্চিত করি সেটা ন্যায্য, স্বচ্ছ ও বাংলাদেশে ভালোভাবে চলবে। পেমেন্ট সিস্টেম থেকে শুরু করে বোনাসের শর্তাবলী — সব কিছু সহজ ও স্পষ্ট রাখা আমাদের নীতি।
প্রতিটি গেমের RTP, বোনাসের শর্ত ও পেআউটের তথ্য খোলামেলাভাবে দেওয়া হয়। কোনো লুকানো শর্ত নেই।
আমরা চাই আমাদের সদস্যরা আনন্দের জন্য খেলুন। তাই স্পেন্ড লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও কুলডাউন টুল সবার জন্য উন্মুক্ত।
আমাদের দলে আছেন অভিজ্ঞ প্রযুক্তিবিদ, গেমিং বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশের স্থানীয় বাজার-বিশেষজ্ঞরা।
১০ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা নিয়ে zero7-এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতির গভীর বোঝাপড়া তার সবচেয়ে বড় শক্তি।
বাংলাদেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সের জন্য zero7-এর ইঞ্জিনিয়ারিং টিম পরিচালনা করেন।
বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের পছন্দ বিশ্লেষণ করে নতুন গেম বাছাই ও লঞ্চের পরিকল্পনা করেন।
৫০ জনের সাপোর্ট দলকে নেতৃত্ব দেন। সদস্যদের যেকোনো সমস্যার দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করাই তার প্রধান কাজ।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং একটি দ্রুত বর্ধনশীল খাত। কিন্তু বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের বাস্তবতা বোঝে না। তারা জানে না যে এখানে ইন্টারনেটের গতি সবসময় স্থিতিশীল থাকে না, মানুষ মোবাইল ডেটার প্রতিটি মেগাবাইট হিসেব করে খরচ করেন, এবং ইংরেজি ইন্টারফেস অনেকের কাছে অস্বস্তিকর।
Zero7 শুরু থেকেই এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তৈরি। আমাদের গেমগুলো কম ব্যান্ডউইথেও মসৃণভাবে চলে। ইন্টারফেস বাংলায়। পেমেন্ট সিস্টেম সম্পূর্ণ স্থানীয়। এটাই zero7-কে আলাদা করে।
আমাদের গেম লাইব্রেরিতে বর্তমানে ৫০০-এরও বেশি গেম আছে। স্লট থেকে লাইভ ডিলার, ক্র্যাশ গেম থেকে স্পোর্টস বেটিং — সব ধরনের গেম এক জায়গায় পাওয়া যায়। প্রতি বৃহস্পতিবার অন্তত ৫টি নতুন গেম যোগ হয়। বছরে ২৫০-এরও বেশি নতুন গেম মানে প্রতিদিনই কিছু না কিছু নতুন থাকে।
Zero7-এর পেমেন্ট সিস্টেম বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুত। ডিপোজিট সাধারণত ৩ মিনিটের মধ্যে হয়। উইথড্রয়াল সর্বোচ্চ ১ ঘণ্টার মধ্যে প্রক্রিয়া করা হয়। এই গতি বজায় রাখার জন্য আমাদের পেমেন্ট টিম ২৪ ঘণ্টা কাজ করে।
নিরাপত্তার বিষয়ে zero7 কোনো আপস করে না। প্রতিটি অ্যাকাউন্ট SSL এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত। সন্দেহজনক লগইন হলে সঙ্গে সঙ্গে SMS অ্যালার্ট যায়। দুই-স্তরের যাচাইকরণ চালু রাখলে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা আরও বাড়ে।
দায়িত্বশীল গেমিং zero7-এর অন্যতম মূল নীতি। আমরা বিশ্বাস করি গেমিং আনন্দের জন্য, আসক্তির জন্য নয়। তাই আমাদের প্ল্যাটফর্মে ডেইলি স্পেন্ড লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও কুলিং-অফ পিরিয়ডের মতো টুল সবার জন্য বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
Zero7-এর কমিউনিটি আজ বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় বিস্তৃত। ঢাকার টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র থেকে শুরু করে সিলেটের চা বাগানের কর্মী — সবাই zero7-এ খেলেন। এই বৈচিত্র্যময় কমিউনিটিকে একসূত্রে গেঁথে রাখে আমাদের বাংলা প্ল্যাটফর্ম।
আগামী দিনে zero7 আরও বড় হওয়ার পরিকল্পনা করছে। iOS অ্যাপ, আরও বেশি স্থানীয় গেম কনটেন্ট, এবং বাংলাদেশি লিগ ও টুর্নামেন্ট — এগুলো আমাদের রোডম্যাপে আছে। কিন্তু যাই হোক, আমাদের মূল প্রতিশ্রুতি অপরিবর্তিত থাকবে — বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সেরা অভিজ্ঞতা দেওয়া।
Zero7 আন্তর্জাতিক গেমিং কর্তৃপক্ষের লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত।
৯৭% পেআউট রেট ও সর্বোচ্চ ১ ঘণ্টায় উইথড্রয়াল নিশ্চিত।
২০২৩ সালে বাংলাদেশের সেরা অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম স্বীকৃতি পেয়েছে।